আর্টিকেল লেখার নিয়ম। কিভাবে একটি আকর্ষণীয় আর্টিকেল লিখবেন?

আর্টিকেল লেখার নিয়ম: অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ার সবচেয়ে ভালো একটি মাধ্যম হলো ফ্রিল্যান্সিং। সেই ফ্রিল্যান্সিং শুধু একটি কিংবা দুটি কাজের মধ্যে কিন্তু সীমাবদ্ধ নয়। বরং হাজার প্রকার কাজ তাতে রয়েছে। তারই এক প্রকার কাজ হলো আর্টিকেল রাইটিং।

আজ আমরা আলোচনা করব কিভাবে একটি আকর্ষণীয় আর্টিকেল লিখবেন। তো আমাদের আর্টিকেলটিতে আজকে থাকছে আর্টিকেল লেখার জন্য কি জানতে হবে, বাংলা কন্টেন্ট রাইটিং, বাংলা কনটেন্ট রাইটিং টিপস ইত্যাদি। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সাথেই থাকুন। 

আর্টিকেল রাইটিং বা কন্টেন্ট রাইটিং কারা করতে পারবেন? 

আর্টিকেল রাইটিং এর কথা বলতে গেলে তা সবাই করতে পারবেন তবে বেশি ভালোভাবে বলতে গেলে  ইংরেজীতে যাদের  রয়েছে অগাধ দক্ষতা তারাই নিজেদেরকে কন্টেন্ট রাইটার বা আর্টিকেল রাইটার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন খুব সহজেই। বিভিন্ন ওয়েবসাইটে বিভিন্ন উদ্দেশ্যে আর্টিকেল লেখা হয়ে থাকে ।

ব্লগ আর্টিকেল ছাড়াও প্রোডাক্টের রিভিউ, সার্ভিসের সেলস  ফেইসবুক পেজ, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের জন্য রিসোর্স বুক বা বই, ব্রশিউর,  এছাড়াও লিফলেট বা অন্যান্য প্রচারণার কাজে রাইটারদের আর্টিকেল লিখার বহুল প্রয়োজন পড়ে থাকে। তবে আর্টিকেল লেখার নিয়ম আপনাকে ভালোভাবে জানতে হবে।

কাজের চাহিদা ভেদে বা ক্ষেত্র ভেদে আমরা আর্টিকেল রাইটিং বা কন্টেন্ট রাইটিংকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করতে পারি। নিচে এর প্রকারভেদ সমন্ধে আলোচনা করা হলোঃ 

প্রকারভেদ : 

আর্টিকেল রাইটিংয়ে নানা ধরনের কাজের সুযোগ থাকলেও আমাদের আলোচনা সহজ ও বোধগম্য করার সুবাদে আমরা ৪ প্রকার নিয়ে কথা বলব। প্রথম দুই ধরনের কাজ হবে খুবই কম পারিশ্রমিকের। অপরদিকে বাকি দু’টি প্রকার হবে বেশি পারিশ্রমিকের। স্বাভাবিকভাবেই, বলা যায় যে আপনার ভাষাজ্ঞান কম হয়ে থাকলে এবং, যোগ্যতা কম থাকলে পরের দু’টি কাজ আপনি পাবেন না।

তো আমাদের আলোচনার প্রথম দুটি অর্থাৎ কম পারিশ্রমিকের কাজ দু’টি হলো :

  • Rewriting ( রিরাইটিং)
  • Snippet যাকে বিস্তৃ করলে দাঁড়ায় Short Article Write( স্নাইপেট) 

এখন একটু বিস্তারিত আলোচনা করা যাক সহজ কথায় Rewriting ( রিরাইটিং) হলো একটি ৩০০-৬০০ শব্দের বা এর চেয়েও বেশি কিছু লেখার মূল তথ্য ঠিক রেখে আর্টিকেলটিকে সম্পূর্ণ নিজের ভাষায় লেখা আবার খেয়াল রাখতে হবে যেন পরের লেখাটি প্রথম লেখার হুবহু নকল না হয়। একেই মূলত আমরা রিরাইটিং বলে থাকি। 

অপরদিকে Snippet বা Short Article Writing বা স্নাইপেট রাইটিং হলো কোনো বিষয়ে খুব ছোট করে ১০০-১৭০ শব্দ কিংবা তার চেয়ে কম শব্দের লেখা তৈরি করা। এক্ষেত্রে ক্লায়েন্ট বা ক্রেতা একটি বিষয়ের ওপরই ৫, ১০, ২০ অথবা ৩০টি বা তার চেয়েও বেশি লেখা চাইতে পারেন।

এবার একটু আলোকপাত করা যাক আমাদের কন্টেন্ট রাইটিং বা আর্টিকেল রাইটিং এর পরবর্তী দুটি প্রকার নিয়ে যাতে আপনি পাবেন বেশি পারিশ্রমিক। 

অপর দুটি প্রকারের বা বেশি পারিশ্রমিকের লেখালেখির কাজ  হলো :

  • আর্টিকেল রাইটিং বা কনটেন্ট রাইটিং 
  • প্রুফরিডিং ও এডিটিং।

এক্কটু বিস্তারিত ব্যাখ্যায় যাওয়া যাক। সহজ কথায় আর্টিকেল রাইটিং হলো কোনো বিষয়ে বা সাবজেক্টকে কেন্দ্র করে ৪০০-৬০০ কিংবা ১০০০ শব্দের লেখা তৈরি করা। যা কোনোভাবেই কোথাও অর্থাৎ কোনো ওয়েবসাইট থেকে হুবহু নকল নিয়ে তুলে দেয়া যাবে না। এটি একবার ধরা পড়লে এক্ষেত্রে আপনার ক্যারিয়ার পুরোপুরি শেষ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আর Proof reading বা প্রুফ রিডিং হলো কোনো লেখার বানান ঠিক আছে কিনা পাশাপাশি গ্রামার, স্টাইল ইত্যাদির ভুলগুলো নিজের মতো করে নিয়ম অনুসারে শুধরে দেয়া। এর সাথে এডিটিং হলো লেখাটিকে ভাষা যুক্ত করে আরো বেশি আকর্ষণীয় ও শুদ্ধ করে তোলা। 

কিভাবে একটি আকর্ষণীয় আর্টিকেল লিখবেন? 

কন্টেন্ট রাইটিং টিপস- 

এ পর্যায়ে আমরা আর্টিকেল রাইটিং টিপস সমন্ধে আলোচনা করব। যার মাধ্যমে কিভাবে একটি আকর্ষণীয় আর্টিকেল লিখবেন সেই প্রশ্নের জবাব আপনি পেয়ে যাবেন। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক। 

কিভাবে একটি আকর্ষণীয় আর্টিকেল লিখতে হয় সে বিষয়ে নিচে আলোচনা করা হলো- 

যারা কন্টেন্ট রাইটিং পেশা নিয়ে আছেন তারা অবশ্যই এটা জানেন যে, একটি আর্টিকেল তথা একটা কনটেন্ট একটা ওয়েবসাইটের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে ।ইংরেজিতে কিছু প্রবাদ বাক্য রয়েছে এমন  Content Is King for a Website। সুতরাং ধারণা করাই যায় যে আর্টিকেল একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইটের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই বিষয়টী অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে যে আাপনার লেখা আর্টিকেল হতে হবে মানসম্মত।

দিনে দিনে ১০ থেকে ২০ টি আর্টিকেল পোস্ট করে আপনি কখনোই সাফল্য পাবেন না। সাফল্য পাবেন ঠিক তখনই যখন আপনি একটি কোয়ালিটি আর্টিকেল নিজের ক্লায়েন্টকে দিবেন। ফলে আপনার সমৃদ্ধিও হবে। আমরাই তাই  কিভাবে একটি আকর্ষণীয় আর্টিকেল লিখবেন তার উপরে জোর নজর দিতে চাই। 

আর্টিকেলের বিষয় নির্বাচন বা ক্লায়েন্ট কতৃক ধার্যিত আর্টিকেলঃ 

একটি আকর্ষণীয় আর্টিকেল লিখতে হলে আপনাকে কন্টেন্ট বা আর্টিকেলের জন্য একটি বিষয় নির্বাচন করতে হবে। বা আপনার যদি ক্লায়েন্ট থেকে থাকে তবে তার ধার্যিত আর্টিকেলে বিষয় দেখতে হবে।  আপনাকে একটি সহজ টপিক নির্বাচন বা নিজের ক্লায়েন্ট এর আর্টিকেলটি এর উপর জোর নজর দিতে হবে। এবং তা সম্পর্কে আপনাকে পর্যাপ্ত তথ্য নিতে হবে। একবার যখন আপনি ভালো মানের রিসার্চ বা তথ্য নিতে পারবেন তখনই কাজ শেষ এবং তাহলেই আপনি  একটি ভালো মানের আর্টিকেল লিখতে পারবেন। সুতরাং এখানে বিষয় নির্বাচন এবং বিষয়ের উপর পড়াশোনা করা একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। 

একটি ভালো মানের পাশাপাশি একটি আকর্ষণীয় আর্টিকেল লিখতে হলে যে বিষয়গুলি অবশ্যই মেনে চলতে হবে তা আপনার জন্য নিচে দেয়া হলোঃ 

আর্টিকেল টপিক নিয়ে গবেষণা করাঃ 

যে বিষয়টি নির্ধারণ করলেন বা আপনার ক্লায়েন্ট কতৃক ধার্যিত টপিকে আপনাকে এখন পর্যাপ্ত পরিমাণ গবেষণা করতে হবে। গবেষণার মূল মাধ্যম হলো অনলাইন এবং যদি বাংলা আর্টিকেল লিখে থাকেন তবে তার জন্য ইংরেজি কন্টেন্ট। আপনাকে কয়েকটি আর্টিকেল পড়তে হবে। একটি কথা আছে আপনাকে একজন ভালো পাঠক হতে হবে একজন লেখক হওয়ার আগে। তাই আপনাকে পর্যাপ্ত পরিমাণ গবেষণা করতে হবে। 

আর্টিকেলে আপনাকে অবশ্যই হেডলাইন এর ব্যবহার যথাযথভাবে করতে হবেঃ 

আর্টিকেল লেখার জন্য বা ভালো কন্টেন্ট লেখার জন্য আপনাকে অবশ্যই হেডলাইনের ব্যবহারের কথা মাথায় রাখতে হবে। কেননা হেড লাইন বা টাইটেলই পারে একটি ভালো কন্টেন্ট এবং আকর্ষণীয় কন্টেন্ট তৈরি করতে। যথাযথ হেডলাইন এর জন্য আপনি আপনার বিষয় সমন্ধিত আরও কিছু পোস্ট দেখে নিতে পারেন। এতে করে আপনার টাইটেল বা হেড লাইন সমন্ধিত আপনার একটি ধারণা হয়ে যাবে। 

এছাড়াও টাইটেল এর বাইরে আপনাকে যে বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে তা হলো ইন্টারনাল বা অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন টাইটেল ঠিক রাখা। যেমন কোনো প্যারাগ্রাফ এর শুরুর হেড লাইন বা কোন সাব হেড লাইন ইত্যাদি আপনাকে দিতে হবে ভালো করে। অনেকেই পুরো আর্টিকেলটি কখনোই পড়বে না। তারা বেঁছে বেঁছে কিছু অংশ পড়বে। তাই আপনাকে কন্টেন্ট এর হেড লাইন গুলো ভালো ভাবে দিতে হবে। 

শুদ্ধ বানান এবং ব্যাকরণ রীতি ঠিক রাখাঃ 

আপনাকে অবশ্যই বানানের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে কেননা একটি কন্টেন্ট এর মূল হলো বানান। আর ভুল বানান হওয়া একজন মূর্খের কাজ। তাই কেউ যদি আপনার আর্টিকেলে বানান ভুল খুঁজে পায় তাহলে সে আপনার কন্টেন্ট নাও পড়তে পারে। পাশাপাশি বানানরীতি এর প্রতিও বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। আরেকটি বিষয় যা আপনার সামনে উদঘাটন করার প্রয়োজন বোধ করছি তা হলো সাহিত্য রচনা না করে নিজের ভাষায় সহজ করে লেখা। ওয়েব কন্টেন্ট এ আপনি কখনো ছোট গল্প বা উপন্যাস লিখতে পারবেন না। অন্যের বোঝার জন্য শুদ্ধ বানানের পাশাপশি ভাষাও সহজ করতে হবে। 

ভিজিটরদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হবেঃ 

আপনি কন্টেন্ট লিখছেন একজন ভিজিটর এর জন্য। তাই আপনার মূল টার্গেট থাকবে ভিজিটর এর দৃষ্টি আকর্ষণ যা আপনাকে একেবারে শুরুতেই করতে হবে। কেননা একটি জরিপে দেখা গেছে যে ৪০% এর মতো ভিজিটর শুধুমাত্র ইন্ট্রো পড়েই আর্টিকেলটি দেখবে না দেখবে না তা নির্বাচন করে। তাহলে আপনি বুঝতেই পারছেন আপনাকে একজন ভিজিটর বা পাঠক ধরে রাখার জন্য কতটা কাঠ কয়লা পোড়াতে হবে। তাই আপনার প্রতি পরামর্শ এটাই যে একাবারে শুরুতেই আপনি ভিজিটরের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করবেন। তাহলে ইন্ট্রো ঠিক করার পিছনে আপনার সময় ব্যয় করুন। 

ছবি এবং ভিডিও ব্যবহার ( যদি লাগে)ঃ  

আর্টিকেল যদি কোন সাইটের জন্য লিখে থাকেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই ছবি কিংবা ভিডিও এর ব্যবহারের প্রতি নজড় দিতে হবে। ছবি বা ভিডিও দেয়ার মাধ্যমে তা পাঠকের মাঝে আরও বেশি ভালো মর্যাদা পূর্ণ আর্টিকেল হিসাবে পরিগণিত হবে। তাই সর্বদাই চেষ্টা করবেন ছবি ও ভিডিও এর ব্যবহার করার আপনার কন্টেন্টের ভিতরে। এতে করে আরও বেশি লোক আপনার প্রতি আকৃষ্ট হবে। মাথায় রাখবেন পয়েন্টই। 

টেবিল কন্টেন্ট বা ছোট ছোট প্যারার ব্যবহারঃ 

আপনি যদি ৬০০০ শব্দের একটি আর্টিকেল লিখেন তাহলে তা কিন্তু অনেক বড় হয়ে যাবে। এবং আপনি যদি একটানা তা লিখতেই থাকেন তবে পাঠক তা পড়তে পড়তে হাঁপিয়ে উঠবে। পরবর্তীতে কোনো ভিজিটর আসার চান্সও কমে যাবে। তাহলে কি আপনি ৬০০০ শব্দের কন্টেন্ট লিখবেন না? 

কেন লিখবেন না? অবশ্যই লিখবেন। আপনাকে ৬০০০ শব্দের কন্টেন্ট লেখার জন্যই আমি আগ্রহ দিব। কিন্তু তা হতে হবে ছোট ছোট প্যারা সহকারে। ৬০০০ শব্দকে আপনাকে বেঁছে নিতে হবে কয়েকটি প্যারাতে। আর আপনি যে আর্টিকেলই দেখেন না কেন তার মাধ্যে এই জিনিসটা অবশ্যই দেখে থাকবেন টেবিল কন্টেন্ট এর ব্যবহার বা ছোট প্যারাগ্রাফ এর ব্যবহার। এর মাধ্যমে আপনি স্ট্রাকচার সমন্ধে একটা ধারণা পেয়ে যাবেন এবং কন্টেন্ট লেখার অনুশীলন থেকে যাবে। তাই উক্ত বিষয়টি মাথায় রাখবেন। 

আকর্ষণীয় কন্টেন্ট লিখতে যা এড়াতে হবে- 

আকর্ষণীয় কন্টেন্ট লিখতে হলে কিছু বিষয় আপনাকে এড়াতেই হবে। তা না হলে কন্টেন্ট এর গুণগত মান নিয়ে নিয়ে সমস্যায় পড়ে যাবেন। তাই এই বিষয়গুলোর প্রতি দৃঢ় থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। নিচে এগুলো দেয়া হলোঃ

একই কথার পুনরাবৃত্তি এড়াতে হবেঃ আপনি যদি একই কথা বার বার বলতে যান তাহলে সমস্যা হবে। পাঠকের বিরক্তি ভেসে উঠবে। ফলে সে আপনার সাইট থেকে লিভ নিয়ে নিতে পারে। একই কথার পুনরাবৃত্তি এড়াতে হবে। 

কথা বেশি ঘোড়ানো যাবে নাঃ আপনাকে অবশ্যই কথা ঘোড়ানোর অভ্যাসটি বাদ দিয়ে দিতে হবে। তা নাহলে বিরক্তির ছাপ স্পষ্ট হয়ে উঠবে এবং ভিজিটরও কমে যাবে। তাই মাথায় রাখবে কথা বেশি ঘোড়ানো যাবে না। 

অবাঞ্চিত কথা বার্তা বলা যাবেনাঃ অবাঞ্চিত কথা বার্তা বলা এড়াতে হবে আপনাকে তা না হলে আপনাকে দুর্ভোগের সম্মুখীন হতে হবে। অবাঞ্চিত বা টপিকের বাইরের কথা কখনোই আনবেন না আর্টিকেলে।

Tracking Code: 938337

উপরোক্ত আর্টিকেলে আমরা জানতে পেরেছি কিভাবে একটি আকর্ষণীয় আর্টিকেল লিখবেন আপনি। আর পাশাপাশি রাইটিং টিপস সমন্ধেও আলোচনা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আমরা ভালো একজন লেখকে পরিণত হতে পারব। পরবর্তী আর্টিকেলের জন্য আমাদের সাথেই থাকুন। ধন্যবাদ। 

To Write Your Thoughts Please Login First

Login

আর্টিকেল লিখে ইনকাম করার সেরা দুইটি ওয়েবসাইট। পেমেন্ট সরাসরি বিকাশ নগদ একাউন্টে।

আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ। সম্মানিত পাঠক গণেরা আশা করি আপনারা সকলেই ভাল আছেন। আমার পোস্টটিতে আসার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। হতভাগা ডটকমে এই প্রথম পোস্ট লিখছি আশা...

ঘরে বসে মাসে মোবাইল ফোন দিয়ে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা আয় করার সহজ উপায়

আসসালামু আলাইকুম,,,, প্রিয় ভিউয়ার্স সবাই কেমন আছেন। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে অনেক ভালো আছি। আজকে আমি আপনাদের সামনে একটা ওয়েবসাইট...

আর্টিকেল লেখার নিয়ম। কিভাবে একটি আকর্ষণীয় আর্টিকেল লিখবেন?

আর্টিকেল লেখার নিয়ম: অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ার সবচেয়ে ভালো একটি মাধ্যম হলো ফ্রিল্যান্সিং। সেই ফ্রিল্যান্সিং শুধু একটি কিংবা দুটি কাজের মধ্যে কিন্তু সীমাবদ্ধ নয়। বরং হাজার...